27.4 C
Durgapur
Monday, June 21, 2021

বিষ্ণুপুর চত্বরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখার মতন

নরেশ ভকত, বাঁকুড়া, জেলার খবর : নতুন বছর আসার আগেই প্রত্যেকটি মানুষের মুখে এই বড়দিনে (Christmas) ফুটলো তৃপ্ত হাসি । মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে পর্যটন মরসুমে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে মন্দির গুলি তে বিষ্ণুপুরে । বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল করোনার প্রকোপ , ভেতর থেকে মানুষ হয়ে গেছিলো বড়ই দিশেহারা । করোনা আতঙ্ক সরিয়ে দীর্ঘ লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষ শীতের শুরুতেই বাহিরমুখী হতে শুরু করেছিলেন। এখন ভরা মরসুমে মানুষের ঢল নামছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে। তাই শহরের কোনো হোটেলে শনি বা রবিবার বুকিং পাওয়া যাচ্ছে না , বাইরে থেকে আসা মানুষের ভিড়ে ছড়াছড়ি সর্বত্র । দোকানদাররা দোকানপাট খুলে বসেছে কিছু লাভের আশায় , এতদিন করোনা তাদের মুখের হাসিটুকু কেরে নিয়েছিল কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় মানুষ বড়ই আনন্দিত । মানুষের ভিড় বাড়ায় প্রায় ৯ মাস কর্মহীন অবস্থায় থাকা পর্যটক গাইডদের মুখে হাসি ফিরে এসেছে। বিক্রিবাটা বেড়েছে টেরাকোটা সামগ্রী থেকে শঙ্খ সামগ্রীর।

বিষ্ণুপুরের ছিন্নমস্তা মন্দির সহ ঐতিহাসিক রাসমঞ্চে মানুষের লাইন লাগাতে।ছিন্নমস্তা মন্দির ছাড়াও টেরাকোটার প্রাচীন মন্দির শ্যামরাই, জোড় বাংলা, গড় দরজা, রাধেশ্যাম মন্দির, মল্লরাজ পরিবারের হাজার বছরের প্রাচীন মৃণ্ময়ী মন্দির সবত্রই পর্যটকদের ভিড় ছিল।

দেশে শীতের প্রকোপ বাড়া সত্বেও এই শীতের সকালে সোনালী মিঠে রোদে গা ভিজিয়ে দল বেধে জয়রামবাটি এবং মুকুটমণিপুর ঘুরে সকালেই পরিবার নিয়ে বিষ্ণুপুরে এসেছিলেন হাওড়ার বাসিন্দা দিব্যেন্দু পাইন। তিনি বলেন ‘লকডাউনের জন্য দীর্ঘ ৮ মাস ঘরবন্দি থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। এখন করোনার প্রকোপ একটু কমতেই বেরিয়ে পড়েছি। এখানের টেরাকোটার মন্দিরগুলো দেখে খুব ভালো লাগছে এবং খুব আনন্দ উপভোগ করছি । ট্যুরিস্ট গাইড মধুসূদন মুখোপাধ্যায় বলেন ‘লকডাউনে একেবারেই পর্যটক পাইনি। সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে দিন কাটিয়েছি। কিন্তু এখন ভালো সংখ্যায় মানুষ আসছে। আমরা পর্যটকের ভিড়ে মানুষদের ঠিক মত সময় দিতে পারছি না , তবুও যেনো এর মধ্যে একটা আনন্দ লুকিয়ে আছে ‘।

এই মুহূর্তে

x