28.4 C
Durgapur
Sunday, August 1, 2021

রাতের অন্ধকারে প্রশাসন কার দেহ জ্বালিয়েছে জানিনা, বললেন নির্যাতিতার বৌদি

ডিজিটাল ডেস্ক, জেলার খবর, হাথরাস : ‘ সবাই রাজনীতি করছে, এখনো কোন নেতারই ফোন আসে নি ‘। ঠিক এমনটাই দাবি করলেন হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডের (hathras case) নির্যাতিতা যুবতীর বৌদি। ঘটনার পর থেকেই (hathras case) পরিবারের সবাই ঘরবন্দি, নজরবন্দি। এমনকি বাথরুম ব্যবহারেও নিতে হচ্ছে পুলিশ এর অনুমতি। গোটা বাড়ি তো বটেই, গোটা গ্রাম ঘিরে রেখেছে বিশাল পুলিস বাহিনী। এতদিন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমকে নির্যাতিতার গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নির্যাতিতার (hathras case) পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেওয়া হয়েছে সংবাদমাধ্যমকে। কিন্তু শেষমেশ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন নির্যাতিতার বৌদি। আর তিনি জানিয়েছেন, গতকাল এসটিএফের কোনও দল আসেনি। গত পরশু তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন জেলা শাসক। বয়ান বদলের জন্য চাপ দিয়েছিলেন তিনি। এমনকী যোগীর রাজ্যের পুলিস তাঁদের বিভিন্ন উপায়ে হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতার বৌদি।

‘ আমার মেয়ে মারা যাওয়ার আগে নিজের মুখে বলে গেছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে ‘, এমনটাই দাবি নির্যাতিতার মায়ের। তিনি আরও বলেন ‘মৃত্যুর আগে কি আমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলেছে ? প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছে আমাদের নারকো টেস্ট করানোর জন্য। আমরা জানিই না সেটা কি জিনিস। আমরা কোনো রকম টেস্ট করবো না। কারণ আমরা সত্যি কথা বলছি। নারকো টেস্ট যদি করাতে হয় তাহলে জেলাশাসক ও পুলিস আধিকারিকদের করানো হোক। ওরা তো মিথ্যে কথা বলছে। আমার মেয়েকে শেষ দেখা দেখতে দেয়নি ওরা। আমরা বারবার অনুরোধ করেছি, একবার অন্তত মেয়েটাকে দেখতে দিন। কিন্তু ওরা লুকিয়ে আমার মেয়ের মৃতদেহ দাহ করে দিল। তারপর জেলাশাসক এসে আমাদের বলল, আমার মেয়ে করোনায় মারা গেলে কোনো ক্ষতিপূরণ পেতাম না। এখন যা পাচ্ছি তা যেন আমরা নিয়ে চুপ করে যাই। কিন্তু আমাদের কোনো টাকা চাই না।’ ঘটনার এতদিন পর আজ অর্থাৎ শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে পেয়ে নিজের মনের কথা জানালেন নির্যাতিতার মা।

অন্যদিকে নির্যাতিতার বৌদির দাবি ‘ আমরা জানিই না সেদিন রাতের অন্ধকারে কার দেহ সৎকার করেছিল পুলিশ-প্রশাসন ? আমাদের একবারের জন্যও মৃতদেহ দেখতে দেওয়া হয়নি। তাই এখন আমাদের রীতিমতন সন্দেহ হচ্ছে যে ওই দেহ কি আদেও আমাদের মেয়ের মৃতদেহ ছিল ? নাকি অন্য্ কারোর দেহ রাতের অন্ধকারে পুড়িয়ে দিয়ে আমাদের বলা হচ্ছে আমাদের মেয়ের দেহ পোড়ানো হল। আমরা এবিষয়ে জেলাশাসককে অভিযোগ জানাতে গেলে তিনি রীতিমতন ধমক দিয়ে আমাদের জানান যে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর কি হাল হয় তা কি তোমরা জানো ? নিজেদের মেয়ের ওরকম অবস্থা দেখতে পারতে না। মেয়ের মৃতদেহ দেখার পর তোমাদের দশদিন ঘুম হত না। খেতে পারতে না। তাই দেখানো হয়নি।’

এই মুহূর্তে

x