12.4 C
Durgapur
Thursday, January 28, 2021

সংসারে যা করেন তাতেই নাক গলান শাশুড়ি ? সামলান পরিস্থিতি এক নিমিষেই

ডিজিটাল ডেস্ক, জেলার খবর : কথায় আছে সংসার সুখী হয় রমণীর গুনে। কিন্তু প্রতিটি সংসারেই প্রায়শই শোনা যায় শাশুড়ি-বৌমার খিটমিটের (quarrel) গল্প। আর এতেই একপ্রকার যাঁতাকলে পিষতে হয় ছেলেদেরকে। কিন্তু জানেনকি আপনি এই সামান্য উপায় অবলম্বন করলেই শাশুড়ির সব বিষয়ে নাকগলানো বন্ধ করতে পারবেন একনিমিষেই। তাও আবার কোন অশান্তি (quarrel) ছাড়াই। কি সেই উপায় ?

কথায় বলে বিয়ের পর মেয়েদের জীবনে এক আমূল পরিবর্তন হয়। মেয়েদের জীবনে বাবা-মায়ের জায়গায় আসে শশুর-শাশুড়ি। ঠিক তেমনি ছেলেরাও নিজের বাবা-মায়ের মতন সমান চোখে দেখতে শুরু করে নিজের শশুর-শাশুড়িকে। অন্যদিকে শশুর-শাশুড়িও নিজের বৌমা বা জামাইকে নিজেদের খুব কাছের মানুষ ভাবতে শুরু করেন। আর ঠিক এখন থেকেই সমস্যার (quarrel) সূত্রপাত হতে দেখা যায়। প্রায়শই দেখা যায় শশুর কিংবা শাশুড়ি ছেলে-বৌমা বা মেয়ে-জামাইয়ের দাম্পত্য জীবনে নাক গলাতে শুরু করেন। একমাত্র কাছের মানুষ বলেই কি তাঁরা সব কিছুতে নাক গলাতে পারেন? মানে দাম্পত্য জীবনের খুঁটিনাটিতে শ্বশুর, শাশুড়ির কথা বলা কোন দম্পতিই ঠিক ভালভাবে নেন না। আর তা নিয়ে বেশিরভাগ বাড়িতেই লেগে থাকে অশান্তি (quarrel)। ক্রমশই পুত্রবধূ কিংবা জামাইয়ের সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির দূরত্ব বাড়তে থাকে।চূড়ান্ত পরিণতি হিসাবে হয় পরিবারে ভাঙন (quarrel) কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে বাধ্য হন দম্পতিরা। কিন্তু সম্পর্ক শেষ করে দিলেই তো চলবে না। কারণ, সম্পর্ক ভাঙতে বেশি সময় লাগে না। কিন্তু ভাবুন তো তিল তিল করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে কতই না সময় লাগে। তাই হাল ছাড়বেন না। পরিবর্তে কয়েকটি কৌশলে আপনার দাম্পত্য জীবনে শ্বশুর-শাশুড়ির নাক গলানোর বদভ্যাসকে বশে রাখুন।

Tension 1 2

[ আরও পড়ুন : আপনিও কি সোশ্যাল মিডিয়াতে দিয়েছেন বলিউডি কায়দায় পোজ, তবে আসছে বিপদ ]

বিয়ের পর সমস্ত নব-দম্পতিরই মনে একরাশ আশা থাকে তাদের নতুন সম্পর্ক নিয়ে। আর হবেই না বা কেন! নতুন সংসার। রঙিন চতুর্দিক।এই সময়ে সকলেই চান একটু নিজেদের মতো সময় কাটিয়ে জীবন উপভোগ করতে। যেমন ধরুন ব্যস্ত সময় থেকে দু-এক ঘণ্টা বাঁচিয়ে রেস্তরাঁয় গিয়ে একটু খাওয়াদাওয়া করলেন। কিন্তু তাতেও আপনার শাশুড়ির আপত্তি রয়েছে তাই তো? তিনি মনে মনে ভাবছেন, রেস্তরাঁয় খাওয়াদাওয়ার ফলে হয়তো তাঁর ছেলের না জানি কত টাকাই খরচ হয়ে যাচ্ছে। কিংবা তিনি ভাবতে পারেন হয়তো তাঁর ছেলে আগের মতো আর মাকে সময় দিতে চান না। শাশুড়ি এমন আচরণ করলে তাঁকে বুঝিয়ে বলুন। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে খানিকটা উষ্ণতা বজায় রাখতে মাঝে মধ্যে রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়ার মতো অল্প সময় কাটানো যে বেশ প্রয়োজন, তাঁকে তা জানান।

ধরুন স্বামীর সঙ্গে আপনার কোনও কারণে মনোমালিন্য হয়েছে। আপনারা ঝগড়াঝাটি করছেন।যেটি অত্যন্ত স্বাভাবিক স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে। কিন্তু তাতেও আপনার শাশুড়ি কী নাক গলান? তাহলে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে কথা বলুন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিটা মানুষেরই কিছু গণ্ডি যে অতিক্রম করা উচিত নয়, তা শাশুড়িকে জানান। আর যদি আপনার শাশুড়ি সে বিষয়টি একেবারেই বোঝার চেষ্টা না করেন, তবে এবার থেকে স্বামীর সঙ্গে কোনও বিষয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে ঘরের ভিতর করার চেষ্টা করুন। তাহলে দেখবেন সব সমস্যা অনায়াসেই মিটে গিয়েছে।

শ্বশুর, শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ থাকলে মনে রাখবেন তা আপনার সবচেয়ে বেশি মানসিকভাবে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সুস্থ দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামীর পাশাপাশি শ্বশুর, শাশুড়িকেও আপন করে নিন। হয়ে উঠুন তাঁদের বৃদ্ধ বয়সের অবলম্বন। মনোমালিন্য হলেও অভিমান নিয়ে ঘরের কোণে বসে থাকবেন না। কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নিন। একসঙ্গে বাঁচুন। তাহলেই দেখবেন দিব্যি বিনা বাধায় এগিয়ে চলেছে জীবন

এই মুহূর্তে

x

php shell shell indir hacklink ko cuce