33 C
Durgapur
Saturday, April 17, 2021

হাথরাস যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে ডেরেক , ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হল মাটিতে !

ডিজিটাল ডেস্ক, জেলার খবর: হাথরাস গণধর্ষণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ। দিল্লি থেকে বাংলা সর্বত্রই জ্বলছে বিক্ষোভের আগুন। প্রতিবাদে এককাট্টা হয়েছে বিজেপি বিরোধীরা আর তাতেই ‘রাফ এন্ড টাফ’ ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছে যোগী প্রশাসন।

রাজ্য জুড়ে ঘটতে থাকা একের পর এক ধর্ষণ, গণধর্ষণের ঘটনার জন্য যে পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছিল, তারাই আজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে লাঠি হাতে। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি শুধু নয় প্রবেশে করতে দেওয়া হচ্ছে না সংবাদমাধ্যমকেও। কিন্তু , কেন এই অতি সংক্রিয়তা ? পাছে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে না বেরিয়ে যায়? এমনটাই বলছেন বিরোধীরা।

গতকাল হাথরাস গণধর্ষণকাণ্ডে মৃত নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াংকা গান্ধীকে। কলার ধরে রাহুল গান্ধীকে মাটিতে ফেলে দেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ (Police) । শুক্রবারও যোগী রাজ্যের পুলিশের সেই সক্রিয়তা দেখল গোটা দেশ।

হাথরাস ঢোকার দেড় কিলোমিটার আগেই এদিন আটকে দেওয়া হয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন সহ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে। আগে থেকেই সেখানে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রতিমা মণ্ডল ও প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর।


তৃণমূলের প্রতিনিধিরা পুলিশকে (Police) জানায, তাঁরা শুধুমাত্র নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমবেদনা জানিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু, অনুমতি মেলে নি। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বচসা, ধস্তাধস্তি। অভিযোগ, পুলিশের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন প্রতিমা মণ্ডল ও মমতাবালা ঠাকুররা।

পরপর দুদিন যেভাবে হাথরাস প্রবেশে বিরোধীদের বলপূর্বক বাধা দেওয়া হচ্ছে, তাতে যোগী প্রশাসনের বিরুদ্ধে আরো ক্ষোভ জমছে বিরোধী গোষ্ঠীর। একেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছে গোটা দেশ। তার উপর পুলিশের ভূমিকা ! গভীর রাতে পরিবারের অনুমতি ছাড়া নির্যাতিতার দেহ দাহ করা থেকে শুরু করে মৃতের পরিজনদের জোর করে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে যোগীর পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে।

যদিও এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ। উত্তরপ্রদেশ সরকারের শীর্ষ আমলা ও পুলিশ কর্তাদের আদালত সমন করেছে। গণধর্ষিতা মৃতার পরিবার অভিযোগ করেছিল তাঁদের অন্ধকারে রেখেই জোর করে দেহ ছিনিয়ে নিয়ে সৎকার করেছে পুলিশ। কেন এই তাড়াহুড়ো ? তা জানতেই হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ এই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে।

এই মুহূর্তে

x