17 C
Durgapur
Saturday, January 23, 2021

হাথরাসে বৌদি সেজে কে ছিলেন নির্যাতিতার বাড়িতে ? ছদ্মবেশীর পরিচয় খুঁজতে ধন্দে পুলিশ

ডিজিটাল ডেস্ক, জেলার খবর: হাথরাস (Hathras) নিয়ে তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেশ জুড়ে আলোড়ন ফেলে দেওয়া গণধর্ষণের ঘটনাকে আগেই শুধুমাত্র খুনের তকমা দিয়েছিল যোগী প্রশাসন।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পুলিশের বয়ান ছিল ,নির্যাতিতার শরীরে ধর্ষণের কোনও চিহ্ন ছিল না। অর্থাৎ, বুলগড়ী গ্রামের ওই যুবতীর গণধর্ষণ হয়নি। তবে তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল। ঘটনাকে ভুল প্রেক্ষিতে দেখিয়ে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছিল উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন। এরপরই শনিবার ঘটনার তদন্তভার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়। সামনে আছে চাঞ্চল্য কর তথ্য।

ঘটনার সঙ্গে এবার নকশাল যোগের গন্ধ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার বাড়ির চারপাশে সিসিটিভি লাগানোর ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। এমনকী সিভিল ড্রেসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিবারের লোকজনকে প্রায় নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। এত নিরাপত্তার কারণ হল ওই যুবতীর বাড়ির এক মহিলা সদস্যকে নিয়ে।

জানা গিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত নির্যাতিতার বৌদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা সেখানে ছিলেন। তিনি নিজেকে স্থানীয় এক মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর হিসেবে পরিচয় দেন। এতদিন পর্যন্ত তিনিই নির্যাতিতার বৌদি সেজে বয়ান দিতেন।

মহিলার গতিবিধি দেখে এসআইটি-র সদস্যদের প্রথম সন্দেহ হয়। তার পরই পুলিস ওই ছদ্মবেশী মহিলার পরিচয় খুঁজতে নেমে পড়ে। জানা যায়, জব্বলপুরের এক মেডিকেল কলেজের অধ্যাপিকা রাজকুমারী বানসাল নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মামলাকে প্রভাবিত করতেই নাকি তিনি হাথরাসের (Hathras) বুলগড়ী গ্রামে পৌঁছেছিলেন ।

পুলিশের অনুমান নির্যাতিতার পরিবারকে উসকানি দিচ্ছিলেন ওই মহিলা। মিডিয়ার কীভাবে দলিত কার্ড খেলতে হবে সেই সবকিছুই তার মস্তিষ্কপ্রসূত। পুলিশের সন্দেহের কথা টের পেয়ে নাকি তিনি উধাও হয়ে যান।

পরিচয় জানাজানি হওয়ার পর ওই মহিলা দাবি করেছেন, মানবিকতার খাতিরে (Hathras) হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবারের কাছে তিনি ছুটে যান । অন্যদিকে, নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ওই মহিলা তাঁদের দুঃসম্পর্কের আত্মীয়া। বিপদের দিনে পরিবারের আর পাঁচজন সদস্যের মতো তিনিও তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন।

এই মুহূর্তে

x

php shell shell indir hacklink ko cuce