28.5 C
Durgapur
Thursday, June 24, 2021

বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণের দাবি, আবেদনপত্র প্রধানমন্ত্রীকে(PM)

বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণের দাবি, আবেদনপত্র প্রধানমন্ত্রীকে(PM)

বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী কে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণের দাবি তোলেন অধ্যাপক, কর্মী, বুদ্ধিজীবী, শিল্পী ও আশ্রম থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ। এদিন বিশ্বভারতীতে ২৭৫ জনের স্বাক্ষর করা এক আবেদনপত্র বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী (PM) নরেন্দ্র মোদির কাছে পাঠানো হয়। এই আবেদনপত্রে লেখা আছে কেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য কে বিশ্বভারতী (Visva-Bharati) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণ করা উচিত তা বিশেষভাবে ব্যাখ্যা করে লিখে পাঠানো হয়েছে আচার্য তথা ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

visva-bharati-vice-chancellor-removed-petition-pm

বিগত ২০১৯ সাল থেকে বিশ্বভারতী (Visva-Bharati) বিশ্ববিদ্যালয় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাকে তুলে ধরে এবং তার প্রযাপ্ত কারণ দেখিয়ে এই চিঠি পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এই চিঠিতে উল্লেখ আছে বসন্ত উৎসব ও শান্তিনিকেতন পৌষ উৎসব বন্ধ করার নিরিক্ষে উপাচার্যের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বহিরাগত আখ্যা দেওয়া, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস কে সন্ত্রাসবাদি আখ্যা দেওয়া থেকে শুরু করে শান্তিনিকেতনের প্রাক্তনী তথা নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে জমি চোর বলে ঘোষণা করা থেকে শুরু করে কেশব চন্দ্র সেন কে অসামাজিক কাজ কর্মে লিপ্ত থাকার কথা তিনি মন্তব্য করেছেন, এই সমস্ত বিভিন্ন ব্যাপার তুলে ধরা হয়েছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে এই চিঠিতে। এছাড়াও অধ্যাপক অ্যাসোসিয়েশনের ঘর তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমকালে মহিলা কর্মীদের দ্বারা নির্মিত ‘ আলাপনী ‘ সমিতি। নতুন করে মহিলা সমিতি গঠন করেছেন তিনি। পেনশনভোগীদের সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বিশ্বভারতী চত্বরে থাকা পিয়ারসন মেমোরিয়াল হসপিটাল কার্যত সকলের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও একাধিক অধ্যাপক ও ছাত্রদের নানান কারণ দেখিয়ে সাসপেন্ড করেছেন তিনি। এই সমস্ত বিভিন্ন কারণে উপাচার্যের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে সমস্ত প্রমান সংগ্রহ করে সে চিঠির মাধ্যমে হোক বা ভিডিও, অডিও মাধ্যমেই হোক সকল মাধ্যম জোগাড় করে পাঠানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তাদের অভিযোগ রবীন্দ্র আদর্শ ও শান্তিনিকেতন কে বাঁচাতে হলে খুব শীঘ্রই উপাচার্যকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণ করতেই হবে। বিশ্বভারতীর উপাচার্যের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মামলা করা হয়েছে,শ্রীলতাহানি থেকে শুরু করে, যাতায়াতের রাস্তা জবরদস্তি দখল করার প্রতিবাদে মামলা করা হয়েছে বিশ্বভারতীর(Visva-Bharati) বিরুদ্ধে। এই সমস্ত কারণে বিশ্বভারতী কে প্রচুর টাকা মামলাতে খরচ করতে হচ্ছে। যে টাকা বিশ্বভারতীর উন্নয়ন প্রকল্পে কাজে লাগানো যেত। তারা জানিয়েছেন শুধুমাত্র আচার্য প্রধানমন্ত্রী (PM)নরেন্দ্র মোদী নয়, এই আবেদন পাঠানো হয়েছে বিশ্বভারতীর পরিদর্শক তথা রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকার এর কাছে। তাদের বক্তব্য এতেও যদি কাজ না হয় তাহলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এই মুহূর্তে

x